সরকারের পতন ঘটাতে হবে নতুবা দেশে গুম, খুন বন্ধ হবে না - মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক

সরকারের পতন ঘটাতে হবে নতুবা দেশে গুম, খুন বন্ধ হবে না - মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক ঢাকা, ২৩ এপ্রিল ২০১২ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক বলেছেন, দেশ,...

বিস্তারিত পড়ুন

খেলাফত মজলিসের ব্রিফিং: ফ্যাসীবাদী আচরণ প্রমান করে সরকারের মদদেই গুমের ঘটনা ঘটেছে

ঢাকা, ২২ এপ্রিলঃ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক বলেছেন, আজকের হরতালে সরকারের ফ্যাসীবাদী আচরণ প্রমান করে সরকারের মদদেই ইলিয়াস আলীর গুমের ঘটনা...

বিস্তারিত পড়ুন

অবিলম্বে ইলিয়াস আলীকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। রবিরার হরতালে বাঁধা দিলে লাগাতার হরতালের কর্মসূচী

ঢাকা, ২০ এপ্রিলঃ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের আজ প্রদত্ত এক যুক্ত বিবৃতিতে বি এন পি’র সাংগঠনিক সম্পাদক এম. ইলিয়াস...

বিস্তারিত পড়ুন

শুধু রেলমন্ত্রী নয় আপাদমস্তক দূর্ণীতিগ্রস্থ গোটা সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে – মাওলানা ইসহাক

ঢাকা, ১৩ এপ্রিল: খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক বলেছেন শুধু রেলমন্ত্রী নয় আপাদমস্তক দূর্ণীতিগ্রস্থ গোটা সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। বিশ্বব্যাংক...

বিস্তারিত পড়ুন

টিপাইমুখ বাঁধ সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিরোধ করতে হবেঃ সিলেটের সমাবেশে মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক

সিলেট, ২৩ ফেব্রুয়ারীঃ চারদলীয় জোটের অন্যতম শীর্ষনেতা, খেলাফত মজলিসের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক বলেছেন- ভারত ফারাক্কা বাঁধ দিয়ে দেশের উত্তরাঞ্চল...

বিস্তারিত পড়ুন

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম


মানুষ আল্লাহর খলিফা ও বান্দা । খেলাফত ও উবুদিয়্যাতের দায়িত্ব যথাযথভাবে আঞ্জাম দেয়ার উপরই মানুষের দুনিয়ার সামগ্রিক কল্যাণ এবং আখেরাতের মুক্তি ও শান্তি নির্ভরশীল।

ইসলাম মানুষের জন্য মনোনীত দ্বীন ও সর্বোত্তম জীবন ব্যবস্থা। ইবলিসী চক্রান্তে সৃষ্ট শোষণ-নির্যাতন, নৈরাজ্য, অনৈক্য-বিভেদ, অন্যায়-অবিচার-অনাচার, যুদ্ধ-সংঘাতে পরিপূর্ণ বিপর্যস্ত পৃথিবীর হতাশাগ্রস্ত মানুষের একমাত্র মুক্তির পথ ইসলাম। সমাজের সর্বস্তরে ইসলামের পূর্ণ প্রতিষ্ঠাই শান্তি ও অগ্রগতি, সুবিচার ও সাম্যের নিশ্চয়তা দিতে পারে।

বর্তমানে উলামা মাশায়েখ ও দ্বীনদার শ্রেণীর মাধ্যমে ইসলামের বিভিন্ন পরিমন্ডলে ইসলামের বাস্তবরূপ তথা খেলাফত ব্যবস্থা কায়েম নেই দীর্ঘদিন ধরে। অথচ মানবতার বিশেষভাবে মুসলিম বিশ্বের মুক্তি, সমৃদ্ধি, সম্মান ও দায়িত্ব গোটা মুসলিম জাতির, বিশেষভাবে উলামা-মাশায়েখ, দ্বীনদার বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিকদের।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এ সত্য সমভাবে প্রযোজ্য। এখানকার সামাজিক বৈষম্য, অর্থনৈতিক শোষণ, রাজনৈতিক নিপীড়ন, হানাহানি, সাংস্কৃতিক নৈরাজ্য ও দেউলিয়াপনা এবং বৈদেশিক আধিপত্যের অবসানে গোটা সমাজ ব্যবস্থাকে ইসলামের আলোকে পুনর্গঠিত করতে হবে। দেশের পনের কোটি মানুষের কল্যাণ ও সমৃদ্ধির জন্য ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে সমাজের বিপ্লবাত্মক পরিবর্তন তথা একটি ইসলামী বিপ্লব প্রয়োজন। প্রয়োন খেলাফত ব্যবস্থাকে এখানে পুনরুজ্জীবিত করে দেশকে সত্যিকার অর্থে একটি সার্বজনীন কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করা। এ শুধু পার্থিব প্রয়োজনেই নয় বরং আখেরাতের মুক্তির জন্যো অপরিহার্য।

বাংলার জমীনে আল্লাহ্র খেলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ দেশের ইসলামী আন্দোলনের ক্ষেত্রে এক নবতর সমন্বয়ধর্মী ও গণভিত্তিক ঐতিহ্য-চেতনা সমৃদ্ধ আপোষহীন নির্ভেজাল ইসলামী আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজনে ১৯৮৯ সালের ৮ই ডিসেম্বর খেলাফত মজলিস আত্মপ্রকাশ করেছে।